মোহনপুরে হঠাৎ মাছের মড়ক কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি

  • 78
    Shares

মোস্তফা কামাল, মোহনপুর:

রাজশাহীর মোহনপুরে চাষকৃত পুকুরে মাছে হঠাৎ মড়কে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে ব্যবসায়িদের দাবি।

আজ বুধবার ছিল কেশর হাটবার। প্রতি দিনের মতো বাজারে স্বাভাবিক মাছ আসার কথা থাকলেও এক ঘন্টার মধ্যেই ট্রাক, ভুটভুটিযোগে হাটে শত শত মন মাছ আমদানি হতে থাকে। অতিরিক্ত মাছ আমদানির কারণে আড়ৎদাররা মাছ বেচা-কেনা বন্ধ করে দেয়।

অতিরিক্ত মাছ আমদানির কারণ হিসেবে জানা গেছে, গত কাল মঙ্গলবার ভ্যাপসা গরমের পর হাল্কা বৃস্টির কারণে অক্সিজেন শুন্যতায় বেশিরভাগ পুকুরের মাছ মরতে থাকে।

অতিরিক্ত মাছ আমদানির কারণে রাজশাহী-নওগাঁ মহসড়কের কেশরহাটের বড়ব্রীজ এলাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা তীব্র যানজটের সৃস্টি হয়।

পরে বিশাল মাছ বাজারে মাছ ধারণের ক্ষমতা উপচে গেলে কেশরহাট মাছ বাজারে মাছ বিক্রি হয়।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে ৪ থেকে ৫ কেজি ওজনের মাছ ঠিকা দামে বিক্রি হয় ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকায়। প্রতি কেজি সিলভার কার্প বিক্রি হয় ১০ টাকা থকে ২০ টাকা কেজি দরে।

সর্বপরি দুপুর ১ টার দিকে অনেক মাছ পচে নস্ট হওয়ার কারণে ফেলে পালিয়ে যায় ব্যাবসায়িরা।

এখানে আসা দুর্গাপুর উপজেলার নুরু নামে এক মাছ ব্যসায়ি ব্যবসায়ি বলেন হঠাৎ অক্সিজেন ঘাটতির কারণে মাছ মরে কয়েক লাক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। শুধু আমার পুকুরের মাছের এসমস্যা না অনকের পুকুরের মাছ মরে গেছে।

কেশরহাটের মৎসচাষি মহব্বত আলী বলেন, অক্সিজেন ফেল করে এসমস্যায় আমার পুকুরের মাছ মরে গেছে।
কেশরহাট মাছ বাজারের আড়ৎ মালিক সমিতির সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন বলেন হঠাৎ অতিরিক্ত মাছের আমদানি হয়। প্রায় মাছ পচে নস্ট। ঢাকায় পাঠানোর উপযোগি ছিলনা।

এজন্য ডাকের মাধ্যমে নয় মালিকরা ঠিকা দরে মাছ বিক্রি করে। এখানে শুধু মোহনপুরের মাছ আসেনি, পুঠিয়া, দুর্গাপুর, পবা,বাগমারা এবং বাগমারা উপজেলা হতে মাছ এসেছে।

সব মিলে কয়েক কোটি টাকার মাছ আমদানি হলেও পুকুর মালিকদের দুর্দশা দেখে আড়ৎদারি ছাড়াই মাছ বিক্রির সুযোগ করে দেয়া হয়েছে।

এবিষয়ে জানতে মোহনপুর উপজেলা মৎস অফিসারের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

রাজলাইভ/এইচ.এ


  • 78
    Shares